অনলাইন ভিত্তিক জুয়ার ইতিহাস

অনলাইন ভিত্তিক জুয়ার ইতিহাস

অনলাইন ক্যাসিনোর ইতিহাস থেকে দেখা যায় দুই দশক সময়ে চলার পথে বিভিন্ন বাধা পেরিয়ে এর অবিশ্বাস্য ক্রমবিকাশ।

প্রথম অনলাইন ক্যাসিনো থেকে আজকের মাল্টি বিলিয়ন ডলারের ইন্ডাস্ট্রীঃ বর্তমানের অনলাইন ভিত্তিক জুয়ার ইন্ডাস্ট্রী একটি বিশাল এবং বিভিন্ন অপারেটর যারা সারা বিশ্বে তাদের গ্রাহকদের জন্য নিখুঁত গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরীর লক্ষ্যে আছে, তাদের মধ্যেকার একটি জটিল ওয়েব সংযোগ। যাইহোক, এটি সবসময় বর্তমানের মত ছিল না এবং এই অবস্থায় আসতে ক্রমবিকাশ, প্রযুক্তিগত উন্নতি এবং নির্ভরযোগ্য সেবার সহায়তায় প্রায় দুই দশক সময় লেগেছে।

আমরা যাত্রা শুরু করেছিলাম এন্টিগুয়া এবং বারবুডাতে আমাদের প্রথম পদক্ষেপের মাধ্যমে। ১৯৯৪ সালে অনলাইন ক্যাসিনোকে সর্বপ্রথম বৈধতা দেয় ক্যারাবীয়ান দেশটি এবং এই এখতিয়ারের অধীনে অপারেটরদের লাইসেন্স পাওয়া সম্ভব করেছে। সেই বছরেই প্রথম ক্যাসিনো সফটওয়্যার নির্মাতা দৃশ্যপটে আসে যেহেতু Microgaming গ্যাম্বেলিং সফটওয়্যার নির্মাণ শুরু করে দিয়েছিল।

পরের বছর, অর্থাৎ ১৯৯৫ সালে ক্রিপ্টোলজিক অনলাইন লেনদেনের নিরাপত্তার যে দাবি উঠেছিল তার সমাধান দেয় এবং Microgaming তাদের প্রথম বাস্তবে খেলার জন্য অনলাইন ক্যাসিনো চালু করে অক্টোবারে।

১৯৯৬ সালের আগ পর্যন্ত অনলাইন ক্যাসিনো গেমসে অর্থ বাজি সম্ভব হয়ে উঠেনি, সেই সময়ে ইন্টারক্যাসিনো তাদের ১৮টি গেমসের সংগ্রহ নিয়ে প্রথম ক্লায়েন্ট পেয়েছিল। পরে একই বছরে অধিকতর নিয়ন্ত্রণের জন্য Kahnawake গেমিং কমিশন গঠিত হয়। 

Microgaming এর ক্যাশ স্প্ল্যাশ চালুর মাধ্যমে দৃশ্যপটে প্রথম প্রগ্রেসিভ স্লট মেশিনের আবির্ভাব হয় ১৯৯৮ সালে। এছাড়াও ১৯৯৮ সালে ইন্ডাস্ট্রী প্রথম ইন্টারনেট পোকার রুমের দেখা পায় এবং বছর শেষে প্রায় ৭০০ এর মত ক্যাসিনো ছিল যারা বাস্তব অর্থের বাজি গ্রহণ করত।

২০০০ সালের মধ্যেই অনলাইন ভিত্তিক ক্যাসিনো ২.২ বিলিয়ন ডলারের রেভিনিউ উপার্জন করতে শুরু করেছে।

২০০১ সালে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিচারব্যবস্থা ইহাকে আইল অব ম্যান, জিব্রাল্টার এবং অল্ডারনীর সহায়তায় আর্ন্তজাতিক ইন্ডাস্ট্রী হিসাবে গড়ে তোলার জন্য লাইসেন্স অফার করা শুরু করে।

অনলাইন ভিত্তিক জুয়ার ইন্ডাস্ট্রী এর সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করে ২০০৫ সালে এছাড়া একই বছরে যুক্তরাজ্য ইউরোপে সর্বোচ্চ স্বাধীন জুয়ার আইন প্রণয়ন করে।

এর পরে খুব শীঘ্রই সমস্যার শুরু হয়, ২০০৬ সালে UIGEA আইন প্রণয়নের মাধ্যমে ব্যাংকে অনলাইন ভিত্তিক জুয়ার অর্থ লেনদেন অবৈধ ঘোষণা করা হলে ইন্ডাস্ট্রী বড় ধরণের ধাক্কা খায়।

২০০৮ সালে অনুমান থেকে দেখা যায় অনলাইন ভিত্তিক জুয়া থেকে প্রাপ্ত রেভিনিউ এর পরিমাণ প্রায় ২১ বিলিয়ন ডলার।

দুই বছর পর ২০১০ সালে গ্রাহকদের জন্য প্রায় ৮৬০টিরও বেশী অনলাইন ভিত্তিক ক্যাসিনো ছিল।

২০১১ সালের এপ্রিলের একটি দিনে যাকে এখন কালো শুক্রবার হিসাবে উল্লেখ করা হয়, সেদিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার প্রধান অনলাইন পোকার রুমস গেমস এর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং তাদের দেশে উক্ত গেমগুলো নিষিদ্ধ করে।

মোবাইল ডিভাইসে বাজির মাধ্যমে ১০ বিলিয়ন ডলার রেভিনিউ উৎপাদনের মাধ্যমে মোবাইল ভিত্তিক জুয়ার প্রস্ফুটন সংঘটিত হয় ২০১৩ সালে। সামাজিক ক্যাসিনোগুলোও একই বছরে তাদের রেভিনিউ এর মাধ্যমে লক্ষণীয় হয়ে উঠে।

২০১৫ সালের সমাপ্তি ঘটেছে সারা বিশ্বব্যাপী প্রধান নির্মাতাদের শত শত গেমস এবং অগণিত অনলাইন ভিত্তিক ক্যাসিনো দিয়ে।

হ্যাঁ! আমি অনন্য বোনাস, প্রমোশন, এবং খবর সম্পর্কে জানতে চাই।

SUBSCRIBE