বাংলাদেশে অনলাইন ভিত্তিক জুয়া

বাংলাদেশের স্থানীয় এবং অনলাইন ভিত্তিক জুয়ার বর্তমান অবস্থা এবং জুয়ার উপর প্রয়োগকৃত প্রবিধানের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পড়ুন।

বাংলাদেশ একটি মুসলিম রাষ্ট্র যেখানে ১৮৬৭ সাল থেকে পাবলিক গ্যাম্বেলিং আইন পাশের মাধ্যমে জুয়া নিষিদ্ধ। যদিও লটারী এবং ঘোড়দৌড় প্রতিযোগীতার উপর বাজি ধরা এই দুটো ক্ষেত্রে আইন শিথিল করা হয়েছে। এর মানে যেসকল মানুষ অনলাইন ভিত্তিক জুয়ার রোমঞ্চ উপভোগ করতে চান, তাদের যেসব ক্যাসিনো বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের খেলার সুযোগ দেয় সেসব ক্যাসিনো খুজে পেতে বেশ বেগ পেতে হয়। রাষ্ট্র বিদ্যমান লটারীর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রণ করে। 

ইতিহাস

আজ থেকে প্রায় দেড় শতক আগে, পাবলিক গ্যাম্বেলিং আইন স্পষ্টভাবে সকল ধরণের জুয়া নিষিদ্ধ করে। কাগজে কলমে কঠিন শাস্তির উল্লেখ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের মানুষ কদাচিৎ এসব নিয়ম কানুনকে ফাঁকি দেয়ার সুযোগ পেয়েছে। আইনত নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও জুয়ার প্রবৃত্তি আগের মতই রয়ে গেছে। 

বৈধতা

উপরে যেমন বলা হয়েছে বাংলাদেশের ক্যাসিনো এবং জুয়ার বৈঠকখানাগুলো অবর্তমান অবস্থায় আছে শুধু মাত্র আইন তাদের কার্যক্রম চালাতে দেয় না জন্যে। আইনী কাঠামোর অনুপস্থিতির পাশাপাশি বাজিকর এবং ইন্টারনেট ভিত্তিক ক্যাসিনোর নিবন্ধনের প্রতি রাষ্ট্রের অনীহার কারণে দেশীয় খেলোয়াড়দের হাতে অনলাইনে জুয়া খেলার খুব স্বল্প সুযোগ আছে। অনেক অনলাইন অপারেটর আছে যারা বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সমর্থন করে থাকে, কিন্তু যারা সেখানে খেলতে চাইবে তাদের নিজেদের বিপদ নিজেদেরকেই সামলাতে হবে। এখানে বৈধ জুয়ার ক্ষেত্র শুধুমাত্র ঘোড়দৌড় এবং রাষ্ট্র চালিত লটারী। 

জনপ্রিয়তা

আইনত নিষিদ্ধ তার মানে এই না যে বাংলাদেশে অনলাইন ক্যাসিনো গেমস জনপ্রিয় নয়। পুরো বাংলাদেশ জুড়ে অনেক প্রতিষ্ঠান ছড়িয়ে আছে যারা খেলোয়াড়দের বিভিন্ন খেলা এবং অনলাইন ক্যাসিনো গেমসে বাজি ধরার সুযোগ দেয়। কখনো কখনো এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে পুলিশ অপ্রত্যাশিত হানা দেয় কিন্তু এটা বিদ্যমান আইনের আওতায় বেশ বিরল ঘটনা। 

ভবিষ্যৎ

কর্তৃপক্ষ অনলাইন ক্যাসিনো এবং বাজিকরদের জন্যে বৈধ কাঠামো তৈরীর করার চেয়ে জুয়া দমনে বেশী সক্রিয়। এই লেখার সময়কালে জুয়ার ভবিষ্যৎ বিবর্ণ মনে হচ্ছে যেহেতু বাংলাদেশের সরকার অবৈধ জুয়া দমনের জন্যে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। যেহেতু জুয়ার রোমঞ্চ উপভোগ করার মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে সেহেতু ভবিষ্যতে কোন এক সময় জুয়া বান্ধব আইন পাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

হ্যাঁ! আমি অনন্য বোনাস, প্রমোশন, এবং খবর সম্পর্কে জানতে চাই।

SUBSCRIBE